• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের নামে মামলা নিকলীতে প্রবীণ আওয়ামীগ নেতা ও সাবেক ৪ বারের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন গ্রেফতার  আবহাওয়ার আমূল পরিবর্তনের ফলে হাওরের জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনে চ্যালেঞ্জ      হাওরে প্রবেশদ্বার এলাকায় দস্যুদের তাণ্ডব: শিশুকে হত্যা হুমকিতে লুটে নেয় আড়াই লক্ষাধিক টাকা হাওরাঞ্চলের চামড়া অধিকাংশ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আর অনেকে পুঁতে রাখাসহ নদী ও ডোবানালায় ফেলেছেন নিকলী-বাজিতপুরে বিএনপিতে বিভক্তি, সুবিধা নিচ্ছে আ’লীগ মুষলধারে বৃষ্টিতেও শোলাকিয়ায় ঈদের নামাজীর ঢল ঐতিহ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনজীবনের প্রাণকেন্দ্র বাজিতপুর বাজার বাজিতপুরে যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ, মুখে ২৪ সেলাই ‘জাকির ভাই আমাকে জীবন ভিক্ষা-দে’ হত্যার সময়ে কুলিয়ারচরে ব্যবসায়ীর আকুতি, গ্রেফতার-৫ কিশোরগঞ্জে ইপিআই টিকার ঘাটতি, উদ্বেগ বাড়ছে কাঙ্খিত স্বাস্থ্য সেবায়, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে মা ও শিশু 

কিশোরগঞ্জ -৫ আসনে চুলচেরা বিশ্লেষণ

Reporter Name / ৭৪৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫

আসন সংখ্যায় জোটে পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসাব

জামশেদ ইবনে মুসলিমঃ কিশোরগঞ্জ -৫ আসনে বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন পেতে মরিয়া প্রার্থী সংখ্যা অবশেষে ১০, এছাড়াও জোটসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীর সংখ্যা আরও ৭। সেক্ষেত্রে ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়েই এ আসনে হচ্ছে নানামুখী দৌড়ঝাঁপ। দীর্ঘ সময়ের পর বর্তমানে মনোনয়ন ঘিরে নির্বাচনী আমেজ এসেছে নিকলী বাজিতপুরে। সেখানকার মাঠে-ঘাটে, হাট-বাজারে, চায়ের স্টলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ‘কে পাবে ধানের শীষের মনোনয়ন আর কে হবেন এমপি’

আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক পেতে মরিয়াদের মধ্যে চলছে হুমকি ধামকি ও সংঘাতের ঘটনা। চলতি ২২ নভেম্বর জোট সমর্থক পক্ষের একাধিক গুলিবিদ্ধ। এছাড়াও গুলিবিদ্ধ প্রার্থীর ২২ নেতাকর্মীকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ যৌথবাহিনী রাত ১০ টার দিকে আটক করে। মামলায় জেল হাজতে। তবে প্রশাসনের দাবি দলীয় লোক বিবেচনায় নয় তারা অপরাধী গ্রেফতার করেছে। স্থানীয় আইন শৃঙ্খলার নিরপেক্ষতার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জোটের প্রার্থী ও তার সমর্থকেরা। জোটের প্রার্থী হলেও নানান কারণে তিনিই ধানের শীষের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী মনোনয়ন প্রত্যাশী। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পরিস্থিতি নানান নাটিকীয় রূপ নিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন উঠেছে অস্ত্রের ঝনঝনানির বিষয়েও। সেখানকার জনমনেও রয়েছে অনেকটা আতঙ্ক বিরাজমান। প্রার্থীদের পক্ষে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে মাঝে মাঝে ধানের পক্ষে স্লোগানও দিতেও দেখা যাচ্ছে। বাজিতপুরের বিক্ষিপ্ত স্থানে অতি উৎসাহীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণের কথাও উঠে আসে সরেজমিনে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ধান নিয়ে দুই প্রার্থীকে ঘিরে ব্যাপক তোলপাড়। সবশেষে ধানের শীষের প্রতিক ঘিরে সকলের নজর এখন উপর মহলের ঘোষণার দিকে। অধিক আশাবাদী ভূমিকায় তীর্থের কাকের ন্যায় তাকিয়ে আছে জোটের প্রার্থী। এছাড়াও এখন পর্যন্ত অধির আগ্রহে মনোনয়ন পেতে বসে আছে অন্য প্রার্থীরা। হেভিওয়েট দুই জনের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে অন্য কারো ভাগ্যেও জুটতে পারে মনোনয়ন নামক সোনার হরিণ। এমন প্রত্যাশাও বাকীদের বেলায়। তাছাড়াও গুঞ্জন উঠেছে বিএনপির কোন্দল আর অন্তদ্বন্দ্বের অবসান না ঘটলে বিএনপির দুর্গে এবার কঠিন আঘাতে হানা দিয়ে চমকের সাথে বাজিমাত দেখাতে পারেন জামায়াতে ইসলামীর দলও।

ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় হাওরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত নিকলী-বাজিতপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এই এলাকায় স্বাধীনতা পূর্ববর্তী পাকিস্তানী গভর্নর থেকে শুরু করে অসংখ্য খ্যাতিমান দেশ বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের জন্ম। এছাড়াও বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ শিল্পীপতিসহ অসংখ্য শিল্পপতি এবং জ্ঞানী-গুনিরও জন্ম এই এলাকাতেই। পর্যটন নিকলী একটি প্রাচীন জনপদের সুপরিচিত নাম। ১৮৬৯ সালে স্থাপিত বাজিতপুরের বুকেই প্রাচীন পৌরসভা। এখানে জন্মগ্রহণ করেন এক সময়ের শ্রেষ্ঠ ধনী ব্যক্তিও।

রাজনীতিক আলোচনা-পর্যালোচনায় উঠে আসে স্বাধীনতা পরবর্তী নিকলী-বাজিতপুরের-৫ সংসদীয় আসনটি ছিলো দীর্ঘদিনের বিএনপির ঘাঁটি। বিএনপির দলীয় অন্তকোন্দলের ফলে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৮ সালের অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে। পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী কৌশলে ২০১৪ পরবর্তীতে আ’লীগের ঘাঁটিতে পরিণত করে নেয়। গত ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গন অভ্যুত্থানের পরে তাদের কার্যক্রম না থাকায় রাজনীতির মেরুকরণ এখানে ব্যতিক্রমী রূপে পরিণত হয়ে উঠে। দলীয় কোন্দল না থাকলে বিএনপির বিজয় এই আসনে অনেকটাই সুনিশ্চিত। 

বাজিতপুরে ১১টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা আর নিকলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন -১৬৬ । নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলার নির্বাচন অফিসের সর্বশেষ তথ্যমতে, বাজিতপুর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১লাখ ৯৪ হাজার ৬৯০ জন আর নিকলীতে ১লাখ ১৬ হাজার ৬৭৭ জন। এ আসনে সর্বমোট ভোটার ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৬৭। 

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে চলছে ভিন্ন কৌশলে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। গাড়ি বহরে করে প্রচার প্রচারণার দৃশ্যও চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে। মনোনয়ন প্রত্যাশীদেরও বর্তমানে ঘণ ঘণ আসতে দেখা গেছে নিজ এলাকায়। তবে এখনো অনেকের মাঝে দ্বিধা সংশয় কাজ করছে বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে আদৌও নির্বাচন হবে কি-না এমন প্রশ্নে। তাছাড়াও সর্বস্তরের পিআর পদ্ধতি নিয়ে। এছাড়াও নিকলী-বাজিতপুর এলাকার সর্বস্তরের আলোচনা এখন ‘কে পাবে ধানের শীষের প্রতিক’ জোটের শরিকদের কেউ, নাকি বিএনপির নেতাদের কেউ। এদের মাঝে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল এবং ১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদাকে ঘিরে। দুই জনই বাজিতপুরের বাসিন্দা। ইকবাল হোসেনকে ঘিরে দীর্ঘদিন থেকে আলোচনা সমালোচনা রয়েছে। তিনি বিগত ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়ন পেলেও সাবেক জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও দুই বারের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান মঞ্জুর জনপ্রিয়তার কাছে মনোনয়ন হারান। ইকবালের উপর মহলেও রয়েছে দৌড়ঝাঁপ। তবে তার বিগত সময়ের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আর ফ্যাসিস্টদের ঘিরে যৌক্তিক সমালোচনাও রয়েছে তৃণমূলে। তবুও ইকবাল নসমর্থকরা এখনো আশাবাদী মনোনয়ন বিষয়ে।

অপরদিকে কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে সৈয়দ এহসানুল হুদাকে নানাভাবে আশ্বস্ত করা হয়েছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে। কেন্দ্রীয় চিঠিসহ তার পক্ষে নিকলী বাজিতপুরের নেতাকর্মীদেরকে সহযোগিতা করার বিষয়ের আলোচনা রয়েছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় মনোনয়নের ইঙ্গিত মিলেছে বলেও তার কর্মী সমর্থকরা আশাবাদ ব্যক্ত করে চলেছেন। এছাড়াও গুঞ্জন রয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ারও সুনজর রয়েছে তার দিকে। তিনি কারা নির্যাতিত শরিক দলের যুগপৎ আন্দোলন একজন ত্যাগী নেতা বলে পরিচিতি পেয়েছেন। মনোনয়ন পেলে সাধারণ মানুষ মন খোলে তার কথা বলার সুযোগ পাবে বলেও তার সমর্থকরা উল্লেখ করেন। তিনিই অনেকখানি আস্থাভাজন। এছাড়াও তার সমর্থকদের ভাষ্য, হুদার জনপ্রিয়তা মাঠ পর্যায়ে দিন দিন বেড়েই চলেছে।

রাজনৈতিক পর্যালোচনায় উঠে আসে ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনজুর আহমদ বাচ্চু মিয়া আওয়ামী লীগের টিকেটে এ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নিকলীর আমির উদ্দিন আহমেদ (সতন্ত্র)।

১৯৭৯ সালে বিএনপি থেকে প্রয়াত আমার উদ্দিন আহমেদ সংসদ নির্বাচিত হলে প্রতিদ্বন্দ্বী আ’লীগের প্রয়াত এ্যাডভোকেট আঃ লতিফ। ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন প্রয়াত খালেকুজ্জামান হুমায়ূন (মুসলিম লীগ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রয়াত মোজাম্মেল হক ১৪ দল (ন্যাপ-মোজাফ্ফর)। ১৯৮৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন প্রয়াত মফিজুর রহমান রোকন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রয়াত এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি)। ১৯৯১ সালে প্রয়াত আমির উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি) আর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত এডভোকেট আঃ লতিফ (আ’লীগ)। ১৯৯৬ সালে দুটি নির্বাচন হয় প্রথমে বিনা প্রতিদ্বীতায় বিএনপি থেকে সংসদ হন প্রয়াত আমির উদ্দিন আহমেদ আর দ্বিতীয়বারের মতো ১৯৯৬ সালে নির্বাচন হন প্রয়াত মজিবুর রহমান মঞ্জু আর প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন আলাউল হক (আ’লীগ)। ২০০১ সালে বিএনপি থেকে প্রয়াত মজিবুর রহমান মঞ্জু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আর প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান। ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আফজাল হোসেন আবারো সংসদ সদস্য নির্বাচিতের পাশাপাশি ২০১৮ সালের অনুষ্ঠিত পাতানো নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে টানা তিন বারের মত আ’লীগের সংসদ সদস্য বনে যান।

সাম্প্রতিক সেখানকার ভোটার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাবেক পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর প্রয়াত আবদুল মোনায়েম খানের বাড়ি বাজিতপুরে বলে মুসলিম লীগের তথা ডানপন্থীদেরও বড় একটি সমর্থক শ্রেণী রয়েছে সেখানে। যে কারণে বেশির ভাগ সময় এ আসনটি ফ্যাসিবাদী বিরোধীদের’ দখলে থেকেছে। বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্য নেতারা হলেন বাজিতপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র এহেসান কুফিয়া, ইতালি প্রবাসী বদরুল আলম শিপু, সাবেক জেলা বিএনপির সদস্য মীর জলিল ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মামুন। উল্লেখ্য মামুনের পিতা প্রয়াত মজিবুর রহমান মঞ্জু। মঞ্জু দুইবারের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য ছিলেন। তাছাড়াও নতুন করে শোনা যাচ্ছে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল ওয়াহাবের নাম।

কিশোরগঞ্জ -৫ আসনের নিকলী উপজেলা থেকে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক পেতে মরিয়া আরও বেশ কয়েক জন। এদের মধ্যে অন্যতম নিকলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট বদরুল মোমেন মিঠু। তার প্রচার প্রচারণাও চোখে পড়ার মতোই। উল্লেখ্য মিঠুর পিতা প্রয়াত আমির উদ্দিন আহমেদও তিনবারের সংসদ সদস্য ছিলেন। তবে ১৯৯৬ সালে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হলে দলের বিতর্কিত অবস্থানে চলে যান। পরবর্তীতে এলডিপিতে যোগদান করেন। এছাড়াও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অত্যন্ত মিশুক ও বিনয়ী স্বভাবের অধিকারী শফিকুল আলম রাজনসহ ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এ এম জামিউল হক ফয়সালসহ থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মাসুকও বিএনপির মনোনয়নের আশায় রয়েছেন। 

বর্তমান রাজনীতিক প্রেক্ষাপটের আলোচনায় যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির মিত্রদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় যার নাম উঠে আসে তিনি হলেন রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম। দীর্ঘদিন থেকে তিনিও মাঠে রয়েছেন। জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেলে তারও ভাগ্য বদলে যেতে পারে বলে তার সমর্থকদের ধারণা।

এই দিকে বিএনপির বা শরিক দলের একমাত্র শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হবে কেন্দ্রীয় মজলিসে সুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। দলমত নির্বিশেষে আলোচনা রয়েছে রমজান একজন ক্লীন ইমেজের ব্যক্তি। জামায়াতে ইসলামী দল তাকে আগে থেকেই মনোনয়ন চূড়ান্ত করে রেখেছেন। তার নির্বাচনী এলাকাতে গণসংযোগও চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরেই। তবে সেক্ষেত্রে বিএনপির অন্তদ্বন্দ্ব বিরাজমান থাকলে জামায়াতে ইসলামীর দলও চমক দেখাতে পারেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। তাছাড়াও বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের নিকলী উপজেলার উপদেষ্টা মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের কেন্দ্রীয় নিবার্হী সদস্য মাওলানা শায়খুল হাদিস মুহাম্মাদ আলী, এনসিপি রাহাগীর আলম মান্না, গণঅধিকার পরিষদের জাকির হোসেন। তবে এখন পর্যন্ত ফ্যাসিস্টের ন্যায় জাতীয় পার্টির কোনো প্রার্থীদের তৎপরতা চোখে পড়েনি। সরেজমিনে তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের মতামত পিআর এবং জোট ধরে রাখলে ভাগ্য খুলে যেতে পারে অনেক তরুণের। আসনগুলোতে পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসাব।

 

 

 

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd