নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ অনিয়মের রাজাত্বের রাজা আফজাল গ্রেফতারের খবরে নিকলী বাজিতপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও সমমনা দলসহ আওয়ামীলীগের অসাধু নেতাকর্মীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার এমন সর্বসাধারণের মধ্যে যেনো আনন্দের বার্তা।
তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের কাছ থেকে কখন, কিভাবে, কোন মামলায় কাদের হাতে আটক হয়েছেন তা শতভাগ স্পষ্ট করে কেউ বলতে পারেননি। কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এমপি গ্রেফতার হয়েছেন তার পুরোপুরি তথ্য প্রশাসনের কাছ থেকে এখনো মেলেনি। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রেফতারের বিষয়ে বিভিন্ন আঙ্গিকে লেখালেখি হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জের নিকলী ও বাজিতপুরের শীর্ষ আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে উঠেছে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আফজাল সুজের মালিক ও সাবেক এমপি আফজালের গ্রেফতারের বিষয়ে। অনেকই তাকিয়ে আছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ টেলিভিশন ও স্যাটেলাইটের পর্দায়।
গুঞ্জন সরব এমপি আফজালের সহচর, স্বজন ও সঙ্গীরা একে একে ধরা পড়ার বিষয়ে। এবার অধিক পরিমাণে আতঙ্ক বিরাজ করবে আফজালের গ্রেফতার বিষয়টি গণমাধ্যমের স্থির চিত্র ও ভিডিওর মাধ্যমে প্রকাশিত হলেই।
নিকলী ও বাজিতপুরের অসংখ্য নির্যাতিতের ভাষ্যমতে, আফজাল হোসেন স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন তার নিজ আসন নিকলী-বাজিতপুরসহ ঢাকার ফুলবাড়িয়া এলাকা পর্যন্ত। হকার থেকে পাদুকা সভাপতি বনে যাওয়া এমপি আফজাল একাধিকবার দুদকের নজরদারিতে থাকাসত্ত্বেও অর্থনৈতিক প্রভাব ও রাজনৈতিক দাপটে পরিত্রাণ পেলেও আর শেষ শেষ রক্ষা পাবে না। যদি গ্রেফতার বিষয়টি শতভাগ সত্যি হয়। তবে একাধিক বেসরকারি মাধ্যম তাদের তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন আফজালের গ্রেফতার বিষয়ে।
এই বিষয়ে মেহেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মাকসুদা খানম (পিপিএম) এর সাথে ২৪ মার্চ দুপুর পৌনে ২ টার দিকে কথা হলে তিনি অফিসিয়ালি কোনো ধরণের তথ্য পাননি বলে জানান।
কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী (বিপিএম) এর সাথে সাবেক সংসদ সদস্য আফজালের গ্রেফতার বিষয়ে দুপুরে কথা হলে তিনিও এই বিষয়ে অফিসিয়ালিভাবে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। এছাড়াও বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ হোসেনের সাথে সন্ধ্যায় কথা হলে নিকলী-বাজিতপুর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন গ্রেফতার বিষয়ে তার কাছে এখন পর্যন্ত কোন অফিসিয়াল তথ্য নেই বলে উল্লেখ করেন। তবে গ্রেফতার হয়েছেন মর্মে এধরণের একটি কথা তিনি লোক মুখে শুনতে পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।