• বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের নামে মামলা হাওরে মাছ কমছে, প্রভাব পড়ছে কিশোরগঞ্জের শতবর্ষী শুঁটকি শিল্পে  নিকলীতে প্রবীণ আওয়ামীগ নেতা ও সাবেক ৪ বারের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন গ্রেফতার  আবহাওয়ার আমূল পরিবর্তনের ফলে হাওরের জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনে চ্যালেঞ্জ      হাওরে প্রবেশদ্বার এলাকায় দস্যুদের তাণ্ডব: শিশুকে হত্যা হুমকিতে লুটে নেয় আড়াই লক্ষাধিক টাকা হাওরাঞ্চলের চামড়া অধিকাংশ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আর অনেকে পুঁতে রাখাসহ নদী ও ডোবানালায় ফেলেছেন নিকলী-বাজিতপুরে বিএনপিতে বিভক্তি, সুবিধা নিচ্ছে আ’লীগ মুষলধারে বৃষ্টিতেও শোলাকিয়ায় ঈদের নামাজীর ঢল ঐতিহ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনজীবনের প্রাণকেন্দ্র বাজিতপুর বাজার বাজিতপুরে যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ, মুখে ২৪ সেলাই ‘জাকির ভাই আমাকে জীবন ভিক্ষা-দে’ হত্যার সময়ে কুলিয়ারচরে ব্যবসায়ীর আকুতি, গ্রেফতার-৫

হাওরে মাছ কমছে, প্রভাব পড়ছে কিশোরগঞ্জের শতবর্ষী শুঁটকি শিল্পে 

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

ছবি কুলিয়ারচর কালীনদীর তীরবর্তী দাসপাড়া শুঁটকি পল্লীর

আলি জামশেদ: হাওরের শুঁটকিতে প্রায় হাজার টাকার বাণিজ্য, খ্যাতির শীর্ষে বলা চলে কিশোরগঞ্জ। জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে ২০২৫ সালে মোট ৯ শ’ ৪১ দশমিক ১৭ মেট্রিকটন শুঁটকি উৎপাদিত হয়। যার গড় মূল্য ৭৮ কোটি ৬৭ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা। এরি মধ্যে প্রায় ৫০০ মেট্রিকটন দেশীয় প্রজাতির আর বাকী সব চেপা শুঁটকি। সরেজমিনে অভিযোগ উঠেছে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, কারেন্ট জালের ব্যবহার, অপরিকল্পিত নদী ড্রেজিং ও সড়ক নির্মাণ, মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ, ডিম ওয়ালা মাছ নিধন, হাওর ও বিল থেকে সেচ যন্ত্রের মাধ্যমে শুকিয়ে মাছ ধরা। মাছের প্রজনন ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করি। অবাধ বিচরণে বাধাগ্রস্ত করা। অপরিকল্পিত লীজ দেয়া ছাড়াও এসিড বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খড়া জলদূষণসহ জীব বৈচিত্র্যের তারতম্যের ফলে হাওরাঞ্চলে কমছে তুলনামূলক মাছের পরিমাণ। মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে স্থানীয় শুঁটকিতে পড়ছে প্রভাব। যে কারণে সীমাহীন অভিযোগ মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে হাওরাঞ্চলের শুঁটকি ব্যবসায়ীদের মাঝে। অভিযোগ উঠেছে সহজ শর্তে মিলে না সরকারী সহযোগিতা। মহাজননির্ভর ঋণের কারণেও কম দামে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য হন জেলে সম্প্রদায়ের লোকেরা।

হাওরাঞ্চলের দেশীয় মাছ আর শতবর্ষের ঐতিহ্যকে ঘিরে উজান ভাটির কিশোরগঞ্জে গড়ে উঠেছে শুঁটকি নির্ভর বিশাল অর্থনীতি। বিশেষ করে চ্যাপা শুঁটকির জন্য দেশের অন্যতম পরিচিত জেলা হিসেবে খ্যাতি পেয়েছে কিশোরগঞ্জ। জেলার অষ্টগ্রাম, মিঠামইন, ইটনা ও নিকলী উপজেলার হাওরাঞ্চল থেকে আহরিত মাছ দিয়ে মৌসুমজুড়ে উৎপাদিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ শুঁটকি। আর এসব শুঁটকির সবচেয়ে বড় পাইকারি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জ শহরের বড় বাজার। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাজার সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, প্রতি সপ্তাহে বড় বাজারে দুই দিন শুঁটকির হাট বসে। বিশেষ করে বুধ ও বৃহস্পতিবারের হাটে কোটি কোটি টাকার শুঁটকি বেচাকেনা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রতি হাটে প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়ে থাকে। সেই হিসাবে পুরো মৌসুমে আনুমানিক কোটি টাকারও বেশি বাণিজ্য হয় এই শুঁটকি বাজারকে কেন্দ্র করে।

কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও ইটনার বিস্তীর্ণ হাওর থেকে সংগ্রহ করা পুঁটি, চাপিলা, কাঁচকি, টেংরা, চ্যাং, বাইমসহ অন্যান্য দেশীয় মাছ। যা দিয়ে শুকিয়ে তৈরি করা হয় চ্যাপা শুঁটকি। এর মধ্যে “পুঁটির চ্যাপা” সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। দেশীয় বাজার ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও কিশোরগঞ্জের চ্যাপা শুঁটকির চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও বড় মাছের মধ্যে শুকনো শুঁটকির জন্যে বোয়াল, সইল, গজার, রুই ,কাতলা, মৃগেল বাউশ, বিভিন্ন ধরনের চিংড়ি, টাকি, বেলে, শিং, মাগুরসহ অন্যান্য বেশ কিছু দেশীয় মাছ। এই সব মাছ শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়। কর্ম সংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয় হাজার হাজার মানুষের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার মধ্যে কুলিয়ারচরের পরবর্তীতে অষ্টগ্রাম উপজেলাকে সবচেয়ে বড় শুঁটকি উৎপাদন অঞ্চল হিসেবে ধরা হয়। অষ্টগ্রাম উপজেলার দেওগড় ইউনিয়নের জেলে অরুণ কুমার সূত্র বলেন, আগের মতো এখন আর হাওরে মাছ মিলে না। যে কারণে শুঁটকির দামও এখন তুলনামূলক বেশি। তাই বাপ দাদার এ পেশা ছেড়ে দিচ্ছে অনেকেই। হাওরের মিঠামইন ও ইটনা বাজারেও শুঁটকি বিক্রি করা হয়। নিকলী ও বাজিতপুরে ছোট পরিসরে শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাত করা হয়।

হাওরের শুঁটকি শিল্পে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের অবস্থান প্রথম সারিতে রয়েছে। জেলার অন্যান্য উপজেলার ন্যায় কুলিয়ারচর অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে মেঘনা নদী ও আশপাশের জলাশয়কেন্দ্রিক জেলেদের আহরিত মাছ স্থানীয় বাজারে সরবরাহের মাধ্যমে শুঁটকি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে কুলিয়ারচর। মাছ সংগ্রহ, সরবরাহ ও বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে কুলিয়ারচরের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরাও। কুলিয়ারচর উপজেলা সদরের দাসপাড়া এলাকার মৎস্য আহরণকারী সুভাষ চন্দ্র দাস, অনিল চন্দ্র দাস ও অনিক চন্দ্র দাসসহ সেখানকার বেশ কিছু জেলের সাথে কথা হলে তারা জানান, একসময় নদী ও হাওরে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া গেলেও বর্তমানে সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া, অপরিকল্পিত বাঁধ ও সড়ক নির্মাণ, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন, অবৈধ কারেন্ট জাল ও জমিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ, এসিড বৃষ্টিসহ বেশ কিছু কারণে জলদূষণের কারণে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন কমে গেছে। এতে সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন নিম্ন আয়ের জেলেরা। প্রভাব পড়েছে শুঁটকিতে। এছাড়াও কুলিয়ারচরের কয়েকজন জেলে ক্ষোভে ও হতাশায় বলেন, আগে দিনে যে পরিমাণ মাছ ধরা পড়ত, এখন তার অর্ধেকও পাওয়া যায় না। জ্বালানি খরচ, জালের দাম ও নৌকা রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই পেশা পরিবর্তনের কথাও ভাবছেন। কেউ কেউ মৌসুম শেষে এ পেশা ছেড়ে দিয়ে দিনমজুরি কিংবা কৃষিকাজেও ঝুঁকছেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, বর্ষা মৌসুম শেষে শীতকালে নদী ও হাওরে পানি কমে গেলে মাছ ধরা ও শুঁটকি তৈরির কার্যক্রম বাড়ে। তবে পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সরকারি সহায়তার অভাবে জেলেরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। অনেক সময় মহাজননির্ভর ঋণের কারণে কম দামে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য হন। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কুলিয়ারচরে আধুনিক মাছ সংরক্ষণাগার, সহজ শর্তে ঋণ ও জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা গেলে এখানকার মৎস্য অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হতে পারে। পাশাপাশি নদী ও হাওরের পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশীয় মাছ ও শুঁটকি শিল্প ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটে পড়তে পারে। হাওরাঞ্চলের সামগ্রিক মৎস্যসম্পদ টিকিয়ে রাখতে জেলে সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও নদী রক্ষার ওপর জোর দেওয়ার বিকল্প নেই বলে জানান স্থানীয়রা।

কুরিয়ার উপজেলার দাশ পাড়ার পাইকারি ও খুচরা শুঁটকি ব্যবসায়ী খগেন্দ্র দাস বলেন, এই এলাকার শুঁটকি দেশ বিদেশে সুখ্যাতি আছে। মেডিসিন ছাড়া রোদে শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়। এখানে বিভিন্ন প্রকারের শুঁটকি রয়েছে। কোয়ালিটি ও সাইজ অনুযায়ী দাম বলে তি উল্লেখ করেন। তবে বোয়াল, বাইম, সইল, গজারের ন্যায় বড় মাছের শুকনো শুঁটকির দাম সর্বনিম্ন দেড় হাজার থেকে ৪ হাজার পর্যন্ত। আর ছোট মাছের ক্ষেত্রে তুলনামূলক একটুখানি কম হলেও চিংড়ি মাছের শুঁটকির দাম তুলনামূলক বেশি।

কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন মৎস্য পল্লিতে গেলে উঠে আসে বছরের শীত মৌসুমে হাওরের পানি কমে গেলেই বিপুল পরিমাণ ছোট মাছ আহরণ করা হয় এবং নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে শুঁটকি তৈরির প্রধান মৌসুম। কিশোরগঞ্জ বড় বাজারের অসংখ্য ব্যবসায়ীরা জানান, একসময় প্রতি সপ্তাহে শত শত মণ মাছের শুঁটকি বাজারে আসলেও এখন উৎপাদন কমে গেছে। নদী-হাওরের নাব্যতা সংকট, মাছের আবাসস্থল কমে যাওয়া এবং পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে দেশীয় মাছের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। তবুও ঐতিহ্য ধরে রেখেই চলছে শতবর্ষের এই শুঁটকি বাণিজ্য।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও বলছেন, কিশোরগঞ্জের চ্যাপা শুঁটকি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। যথাযথ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই শিল্প আরও বড় রপ্তানি খাতে পরিণত হতে পারে। এদিকে শুঁটকি শিল্পকে ঘিরে হাজারো জেলে, শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা মাছ পরিষ্কার, শুকানো ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক সংরক্ষণাগার ও সহজ ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা গেলে হাওরাঞ্চলের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

হাওরাঞ্চল বলতে শুধু বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের উপরোল্লেখিত এলাকাকেই বুঝায় না বরং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জলাভূমি অধ্যুষিত এলাকাকে নিয়ে বোঝায়। অনুসন্ধানে জানা গেছে বাংলাদেশে প্রায় ৩৭০টির বেশি বড়-ছোট হাওড় রয়েছে। এগুলোর অধিকাংশই উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। হাওরে অঞ্চল বোরো ধান, মিঠাপানির মাছ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্ষাকালে এসব এলাকা বিশাল জলরাশিতে পরিণত হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষিজমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সংক্ষিপ্ত পরিসরে হাওরাঞ্চলের প্রধান জেলা ও উল্লেখযোগ্য উপজেলাগুলোর মধ্যে কিশোরগঞ্জের নিকলী, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, ইটনা, করিমগঞ্জ ও তাড়াইল। সুনামগঞ্জ জেলার অন্তর্গত তাহিরপুর, ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, দিরাই, শাল্লা, মধ্যনগরের পাশাপাশি নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরি, মদন ও কলমাকান্দাকে বুঝায় । তাছাড়াও হবিগঞ্জ জেলার লাখাই, আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচংসড় মৌলভীবাজারের বড়লেখা, কুলাউড়া, রাজনগরের কিছু অংশ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরসহ সরাইলের কিছু অংশের পাশাপাশি সিলেট জেলার বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জের নিম্নাঞ্চলকে বুঝায়। কিশোরগঞ্জের ন্যায় প্রায় একই তথ্য চিত্র উঠে আসে হাওরাঞ্চলের মৎস্য ও শুঁটকি উৎপাদনের ক্ষেত্রে।

কিশোরগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কিশোরগঞ্জের শুঁটকির কদর গোটা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তথ্য অনুযায়ী গত বছর মোট ৯ শ’ ৪১ দশমিক ১৭ মেট্রিকটন শুঁটকি উৎপাদিত হয়। যার গড় মূল্য ৭৮ কোটি ৬৭ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা।

এরি মধ্যে প্রায় ৫০০ মেট্রিকটন দেশীয় প্রজাতির আর বাকী সব চেপা শুঁটকি। তাঁর দেয়া তথ্যমতে জেলার সবচেয়ে বেশি শুঁটকি উৎপাদন হয় কুলিয়ার চলে। কুরিয়ারচরেই অধিক পরিমাণে বড় মাছের শুঁটকি মিলে। বড় মাছের শুঁটকির কদরও অধিক বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও হোসেনপুরে সবচেয়ে বেশি পুঁটির চেষ্টা শুঁটকি উৎপাদন হয় বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd