• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের নামে মামলা নিকলীতে প্রবীণ আওয়ামীগ নেতা ও সাবেক ৪ বারের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন গ্রেফতার  আবহাওয়ার আমূল পরিবর্তনের ফলে হাওরের জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনে চ্যালেঞ্জ      হাওরে প্রবেশদ্বার এলাকায় দস্যুদের তাণ্ডব: শিশুকে হত্যা হুমকিতে লুটে নেয় আড়াই লক্ষাধিক টাকা হাওরাঞ্চলের চামড়া অধিকাংশ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আর অনেকে পুঁতে রাখাসহ নদী ও ডোবানালায় ফেলেছেন নিকলী-বাজিতপুরে বিএনপিতে বিভক্তি, সুবিধা নিচ্ছে আ’লীগ মুষলধারে বৃষ্টিতেও শোলাকিয়ায় ঈদের নামাজীর ঢল ঐতিহ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনজীবনের প্রাণকেন্দ্র বাজিতপুর বাজার বাজিতপুরে যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ, মুখে ২৪ সেলাই ‘জাকির ভাই আমাকে জীবন ভিক্ষা-দে’ হত্যার সময়ে কুলিয়ারচরে ব্যবসায়ীর আকুতি, গ্রেফতার-৫ কিশোরগঞ্জে ইপিআই টিকার ঘাটতি, উদ্বেগ বাড়ছে কাঙ্খিত স্বাস্থ্য সেবায়, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে মা ও শিশু 

নিকলীতে অবৈধ ইটভাটায় বিপন্ন পরিবেশ, দায়িত্বে থাকাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

Reporter Name / ৭৩০ Time View
Update : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

জামশেদ ইবনে মুসলিমঃ নিকলীর সবক’টি ইটভাটা চলে অবৈধ উপায়ে। রাতের আঁধারে চলে হাওরের বুকে টপ সয়েল কাটা। প্রশাসনের ভূমিকাও রহস্যজনক। জরিমানায়ও থেমে নেই অবৈধ কার্যক্রম!
বর্ষার পানি শুকিয়ে যেতেই শুরু হয় ইট প্রস্তুতের মৌসুম। এ সময়ে দাদনেও মালিকপক্ষ কিনে স্বস্তায় শ্রম। শ্রম কেনা-বেচার অনিয়মেও দেখা দেয় বিশৃংখলা। সেখানকার ইটভাটায় নিম্নমানের কয়লার পাশাপাশি চুপিসারে হয়ে থাকে লাকড়ির ব্যবহার। দিবানিশি নির্গত হয় কালো ধোঁয়া। নারিকেলসহ মুকলযুক্ত গাছের ফলনও কমে গেছে অনেকাংশে। জমি হারাচ্ছে উর্বরা শক্তি। বিপন্ন পরিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিশু কিশোরসহ বয়োবৃদ্ধদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। নাটকীয় ভূমিকায় প্রশাসন।
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে অসংখ্য ইটভাটায় কৌশলিক কায়দায় মালিকেরা কিনে থাকে হতদরিদ্রের কাছে থেকে দাদনে স্বস্তার শ্রম। এমন কঠিন বাস্তবতা শুধু অত্র এলাকার ইটভাটাতেই নয় বরং সারা দেশেই এমন বাস্তবতা টুকিটাকি উঠে আসবে বলে ধারণা। দারিদ্র্যে ঘেরা নিকলীর বেশ কিছু এলাকার হতদরিদ্র শ্রমিকরা অভাবের তাড়নায় স্বস্তায় শ্রম বিক্রি করে থাকে। মালিক পক্ষের মামলা মোকদ্দমার জালেও জড়িয়ে বিপাকে পড়ে অনেকেই।
এসব এলাকার প্রভাবশালী মালিকদের কাছে আইনও যেনো অনেকটা তাদের পকেটেই। রাজনৈতিক সুবিধাভোগী অনেক নেতারাও তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে কৌশলে অনৈতিক সুপারিশ চালিয়ে থাকে!
কিশোরগঞ্জের নিকলী সদরের পশ্চিম কুর্শা গ্রামের প্রভাবশালী পরিবারের ইটভাটা মালিকেরা তাদের নিজেস্ব ভ্যাকু ও ট্রাকের মাধ্যমে সাধারণ কৃষকদের প্রলোভনে আর কৌশলে ফেলে কেটে নিচ্ছে টপ সয়েল। জমি হারাচ্ছে উর্বরা শক্তি। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের কিশোরগঞ্জ শাখার সাম্প্রতিক তথ্যমতে, জেলার ১১৩টি ইটার মধ্যে ৩৭টি ইটভাটাই অবৈধ। যদিও এই তথ্যে দেখা রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রকৃতপক্ষে ইটভাটার সংখ্যাও বেশি আর অবৈধ উপায়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এমন ইটভাটার সংখ্যাও বেশি।
স্থানীয় সচেতন মহলের অসংখ্য লোকদের অভিযোগের ভাষ্য, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যমতে ইটভাটা কার্যক্রমের বৈধতা না থাকলেও দিব্যি চলমান রয়েছে এসবের কার্যক্রম। সাধারণ জনগণের ভাষ্য, অভিযোগ করলে ভাটা মালিকরা উল্টো চাঁদাবাজির তোলেন। প্রশ্ন উঠেছে এসব কি ক্ষমতার দাপটে, নাকি প্রশাসন ম্যানেজ করেই?
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে নিকলী উপজেলার সকল ইটভাটার বিরুদ্ধেই সীমাহীন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে মানববন্ধন থেকে শুরু করে প্রশাসনের উপর মহলের বিভিন্ন দপ্তরেও মিলেছে বিস্তর লিখিত অভিযোগের তথ্য। সীমাহীন অভিযোগ সত্ত্বেও আইনের ফাঁকফোকর আর উন্নয়নমূলক কাজের দোহাই দিয়ে যুগ যুগ ধরেই চালিয়ে যাচ্ছে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এই বায়ু দূষণকারী ঝিকঝাক নামক ইটভাটা। সরকারিভাবে ফিক্সড চিমনি এবং ড্রাম চিমনির পরবর্তী পর্যায়ে ২০২৫ পরবর্তী সারা দেশে এসব ঝিকঁঝাঁক ইটভাটা বন্ধের নিয়ম থাকলেও আইনের ফাঁকফোকরেই চলে নিকলীতে অবৈধ এসব ইটভাটা। এমন সব দৃশ্যে মনে হয় নিকলীর ঐতিহাসিক ও ঐতিবাহী এই প্রাচীন জনপদ ও পর্যটন এলাকাতে আইন যেনো একেবারেই অন্ধের ভূমিকায়! মালিক পক্ষের লোকেরা রাজনৈতিক দলের নেতাদের অনৈতিক সুপারিশের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়েও ইটভাটা কার্যক্রম চালিয়ে থাকে বলে গুঞ্জন সরব। নিকলীর বনমালীপুরে আওয়ামীগ নেতাদের সামিহা ব্রিক ফিল্ড সাম্প্রতিক জেলা পর্যায় থেকে বন্ধ করে দিয়েছে। তবে একই অপরাধে অপরাধী উপজেলা আওয়ামীগ নেতা ও জামায়াতের সক্রিয় উর্ধ্বন প্রবাসী কর্মীর সেই যৌথ আলতাফ ব্রিক ফিল্ডটি গুঁড়িয়ে দেয়ার পরেও সপ্তাহের ব্যবধানেই চালু রয়েছে। পাশাপাশি চালু রয়েছে সাবেক ছাত্রলীগ পরিবারের সেই কামাল ব্রিক ফিল্ডটিও। অনুসন্ধানে আরও জানা দেখা গেছে অধিকাংশ ইটভাটা এখনও কৌশলিক কায়দায় ফ্যাসিস্টরা বিএনপি জামায়াতের একাংশের নেতাদের আঁতাত রখে দিব্যি অনিয়মের ভেতরেই চালিয়ে যাচ্ছে। যখন যেই দলের প্রভাব থাকে, তখন সেই দলের নেতাদেরকেই মালিকপক্ষ কাজে লাগিয়ে থাকে বলেও গুঞ্জন রয়েছে। যে কারণে অভিযোগেও থেমে নেই অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম।
কিশোরগঞ্জের পরিবেশ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে নিকলীতে ৩টি ইটভাটা থাকলেও সেখানে সব কয়টি ইটভাটা পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়মবহির্ভূতভাবে চলে। এখানকার ফসলিজমি, রাস্তা ও গাঁয়ের পাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘেঁষে, গুরুত্বপূর্ণ হাটবাজার ও পর্যটন এলাকার রাস্তা ঘেঁষে স্থাপন করা হয়েছে এসব ইটভাটা। এমন বাস্তবতাও এক পর্যায়ে স্বীকার করেন দায়িত্বে থাকারা। এমনকি মাছের অভয়াশ্রমের পাশেও দেখা মিলে এসকল পরিবেশ দূষণকারী ইটভাটা। সরেজমিনে নিকলী উপজেলার আলতাফ ব্রিক, কামাল ব্রিক, ও সামিহা ব্রিক ফিল্ড সহ পাশ্ববর্তী কটিয়াদী করগাঁও এর শাপলা ব্রিক একই পরিবারের যৌথ মালিকানায় স্থাপিত। যার সবকটিই অবৈধ বলে তথ্য মিলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইটভাটা কর্মচারী বলেন, এসব ইটভাটায় নিন্ম মানের কয়লার পাশাপাশি কয়লার সংকট দেখা দিলেই লাকড়ির ব্যবহার হয়ে থাকে। এখানে টাকা কথা কয়। সাংবাদিকরা লেখলেও কিছুই হবে না। হয়তোবা মালিকদের টাকার পরিমাণটা প্রশাসনে একটুখানি বেশি খরচ হবে। টাকার বিনিময়ে সব ম্যানেজ করেই এসব হয়ে থাকে বলেও তিনি ইঙ্গিত করেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা.অভিজিত শর্ম্মার সাথে এই বিষয়ে কথা হলে ইটভাটার কালো ধোঁয়ার কুফলে শ্বাসতন্ত্রের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ঘন ঘন শ্বাসনালীতে ইনফেকশন দেখা দেয়, শ্বাসকষ্টজনিত রোগের পাশাপাশি দীর্ঘদিন এই অবস্থা বিরাজ করলে এক কথায় ক্যান্সারে আক্রান্তের ঝুঁকিও বেশি থাকে বলে উল্লেখ করেন।
অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে জনস্বাস্থ্য সচেতনতার পাশাপাশি পরিবেশের দিক বিবেচনায় একাধিক সময়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এসব বন্ধের ঘোষণা করা হয়। সরকারিভাবে সহযোগিতার আশ্বাসে পরিবেশ বান্ধব বৈদ্যুতিক ইটভাটা স্থাপনেরও নির্দেশ আসে। ২০২৫ সালের মধ্যে শতভাগ ব্লকের ব্যবহার নিশ্চিতকরণের বিষয়েও নানা পর্যায়ে বহুমুখী আলোচনা হলেও কার্যকরী ফলপ্রসূ ভূমিকা নেই বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে সচেতন মহল প্রশাসনিক দুর্বলতাকেই দায়ী বলেও অভিহিত করে চলেছেন।
সদ্য বিদায়ী নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী আরিফ উদ্দিন এক প্রশ্নের জবাবে হাজী রূপালি ইটভাটায় দাদনে শ্রম দেওয়ার ফলে দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় গত সিজনেও মামলা করতে এসেছিলেন। তাছাড়া তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিবাদীদের ভাষ্যমতে, শ্রম দিয়ে অনেকখানি পরিশোধ করলেও রূপালী তাদেরকে আইনগতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা চালিয়ে বেড়ান। বিষয়টি নিয়ে তাকেও অনেকখানি বিভ্রান্তি পোহাতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।
আলতাফ ব্রিক ফিল্ডের অংশীদার ও থানা আওয়ামীগ উপদেষ্টা হাজী রূপালি মিয়ার সাথে গত ৫ নভেম্বরে বেলা ৩টা বাজে ১০মিনিটে তার এ ০১৭১০০৯৩৮৯৬ নম্বারে কথা হলে তিনি দম্ভের সাথে জানান, সারা দেশের সকল ইটভাটাই অবৈধভাবে চলে, শুধু তারটা নয়। তাছাড়াও দাদনের কথা প্রসঙ্গে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা দাদন দিয়েন থাকেন বলেও স্বীকার করেন।
নিকলী উপজেলা সদরের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ডের আনিসুজ্জামান মোহন, ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা শাহার উদ্দিন এবং থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন, এমনকি বিএনপি নেতা নজরুল ইসলামসহ অনেকেই জানান, দাদনে শ্রম কেনাবেচার ফলে শ্রমিকদের সাথে বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়ে থাকে। বিশেষ করে হাজী রূপালি গত মৌসুমেও একাধিক শ্রমিককে এ নিয়ে বেকায়দায় ফেলেন। এসব ঘটনায় থানাতেও আপোষ মিমাংসার লক্ষ্যে একাধিকবার চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে জানান।
কামাল ব্রিক ফিল্ডের মালিকের মালিক কামালকে তার ব্যক্তিগত ০১৭১১০৬২১৮৩ নম্বরে ফোন করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দিতেই ইটভাটা মালিক পরিচয়টি গোপন রাখেন। এক পর্যায়ে তথ্য এড়িয়ে চলেন।
কিশোরগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মমিন ভূঁইয়ার সাথে নিকলীর ইটভাটার বিষয়ে একাধিকবার কথা হলে নিকলীর সবক’টি ইটভাটা অবৈধ বলে জানান।
নিকলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত বলেন, ইটভাটা চলবে কি, চলবে না, এটা তার এখতিয়ারে না থাকলেও যেখানেই তিনি টপ সয়েল কিংবা মাটি কাটার খবর পাচ্ছেন সেখানেই প্রস্তুতি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। নিকলীতে তার যোগদানের পর থেকে বালি মাটি সংক্রান্ত বিষয়ে ১৭ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা জমিজমা আদায় করেছেন বলেও উল্লেখ করেন। তাছাড়াও চলতি মাসে পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারণে জমি থেকে মাটি কাটা দায়ে ৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের কথা জানান। ইটভাটা মালিকদেরকে নামকাওয়াস্তে জরিমানা করা হলেও থেমে নেই দিবানিশি মাটি কাটা, এমন প্রশ্নের জবাবে, বিশাল এরিয়া আর একেবারে তা বন্ধ করা সম্ভব না হলেও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে চেষ্টায় চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান। এছাড়াও গত বছরের তুলনায় উত্তোলন কমেছে বলেও দাবি তোলেন।
নিকলী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রেহেনা মজুমদার মুক্তি এক প্রশ্নের জবাবে ইটভাটা কার্যক্রম বিষয়ে সেখানে তাদের কোনো হাত নেই বলে জানান। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এ সব ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে বলেও উল্লেখ করেন।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লার সাথে কথা নিকলী সব কটি ইটভাটা অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলা হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।
সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খানের সাথেও ইতিপূর্বে এই বিষয়ে কথা হলে তিনিও দাদনে শ্রম কেনা-বেচা থেকে শুরু করে সার্বিক বিষয়ের অনিয়ম প্রসঙ্গে খতিয়ে দেখবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd