• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের নামে মামলা নিকলীতে বালু উত্তোলনের ঘটনাসহ পৃথক ঘটনায় নিহত –২ পর্যটন হাওরে গোসলে নেমে নিখোঁজ পর্যটক ২৪ ঘণ্টা পেরিয়েও মেলেনি সন্ধান, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত হাওরে মাছ কমছে, প্রভাব পড়ছে কিশোরগঞ্জের শতবর্ষী শুঁটকি শিল্পে  নিকলীতে প্রবীণ আওয়ামীগ নেতা ও সাবেক ৪ বারের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন গ্রেফতার  আবহাওয়ার আমূল পরিবর্তনের ফলে হাওরের জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনে চ্যালেঞ্জ      হাওরে প্রবেশদ্বার এলাকায় দস্যুদের তাণ্ডব: শিশুকে হত্যা হুমকিতে লুটে নেয় আড়াই লক্ষাধিক টাকা হাওরাঞ্চলের চামড়া অধিকাংশ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আর অনেকে পুঁতে রাখাসহ নদী ও ডোবানালায় ফেলেছেন নিকলী-বাজিতপুরে বিএনপিতে বিভক্তি, সুবিধা নিচ্ছে আ’লীগ মুষলধারে বৃষ্টিতেও শোলাকিয়ায় ঈদের নামাজীর ঢল ঐতিহ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনজীবনের প্রাণকেন্দ্র বাজিতপুর বাজার

হাওরবাসীর চাপা কষ্ট বৈরী আবহাওয়া

Reporter Name / ৪৬০ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫

নিজেস্ব প্রতিবেদনঃ কিশোরগঞ্জের নিকলীর ন্যায় বেশ কতক উপজেলার হাওরসহ আশেপাশের বিভিন্ন হাওর এলাকায় টানা প্রায় ৭২ ঘন্টার ঝড়ো বাতাসের পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের ফলে গাছ গাছালি ও এসবের ডালপালা ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সেবা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

বিপাকে পড়েছে বিভিন্ন ধরণের মোবাইল ব্যাবহারকারী ব্যক্তিরা। ইন্টারনেট সেবাও অনেক স্থানে বিচ্ছিন্ন প্রায়।

এছাড়াও বেকায়দায় পড়েছে সার্জের ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাসহ এ ধরণের বাহনের চালকরা। হাওরের রাস্তায় মিলেছে না তিন চাকার গাড়ীর দৃশ্যো। বিপাকে পড়েছে স্থানীয় যাত্রীরা। সেখানকার গৃহিণীরাও বিপাকে পড়েছে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় ফ্রীজে জমা রাখা খাদ্য সামগ্রী নিয়ে। এমনি তথ্যও তুলে ধরেন হাওরবাসিরা। অনেককেই ক্ষোভের ভাষায় বলতে শোনা গেছে আকাশের অবস্থা একটুখানি বেগতিক হলেই হাওর এলাকার বিদ্যুৎসেবা ঝড়োহাওয়ার অজুহাতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দেন। বর্তমানে বৃষ্টির মৌসুমে সীমাহীন অজুহাতের সুযোগ তাদের হাতে রয়েছে।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে নিকলীর উজান এলাকার রাখালসহ জেলে ও কৃষকরা রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই বৈরী আবহাওয়াতে বজ্রপাতের ভয়ে তারাও মাঠে যেতে সাহস দেখাচ্ছে না। নিকলী উপজেলার আঠার বাড়ীয়া এলাকার সাবেক সেনা বাহিনীর অধীনস্থ কর্মচারী হুমায়ূন এবং একই এলাকার সাফি মিয়াকেও মাঠ থেকে সকালে বৃষ্টি ভেজা অবস্থায় গরু নিয়ে বাড়ী ফেরার সময়ে আফসোসের সাথে বলতে শোনা গেছে, “গরুগুলোকে ঘাস খাওয়াতে হবে তাই বাধ্য হয়েই ঝুকি নিয়েই হাওরে গিয়েছিলেন” এছাড়াও বলতে শোনা গেছে বিকল্প উপায়ে বাজার থেকে কিনে কৃত্রিম খাবার খাওয়ালে এসব গরু লালন-পালনে তাদের তেমন একটা পোষায়নি।

টানা প্রায় ৭২ ঘন্টা বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ অফিসেও মুঠোফোনে যোগাযোগ সম্ভব হয়ে উঠেনি।

হাওরের সচেতন মহল থেকে শুরু করে সর্বসাধারণের ভাষ্যমতে, বর্জপাত রোধে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সেখানকার জেলে ও কৃষকদেরকে ঝুঁকি এবং আতংকে হাওরে সময় কাটাতে হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল যুগের এই মুহূর্তে উন্নত দেশের ন্যায় বৈদ্যুতিক সংযোগ বিষয়ে বিকল্প পদ্ধতিতে দূরদর্শী ভাবনা নিয়ে কাজ করতে হবে। তাহলেই কমে আসবে বৈরী আবহাওয়াতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নের বিষয়, কমে আসবে মৃত্যু ঝুঁকি। এমনকি বিদ্যুৎ জনীত দূর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যাও কমে আসবে। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে দেশে বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুৎ বিভাগে জড়িতদের নানাবিধ অনিয়ম বিষয়ও।

 

 

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd